1. alomgirmondol261@gmail.com : দৈনিক আজকের খোলা কাগজ :
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০২৪, ০৯:১০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
পত্নীতলায় উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত কেন্দুয়ায় মুক্তিযুদ্ধের শ্লোগানকে বিকৃত করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ কুড়িগ্রামে কমছে বন্যার পানি,দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ ,নেই স্যানিটেশন ব্যবস্থা  নিয়ামতপুরে সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের ৭৩০ কোটি টাকা ব্যয়, তবু ডুবল ঢাকা নওগাঁর নিয়ামতপুরে র‍্যাবের অভিযানে পিস্তল ম্যাগাজিনসহ আটক-১ হাটহাজারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় স্বামীর মৃত্যু, হাসপাতালে স্ত্রী নিয়ামতপুরে ব্র্যাকের উদ্যোগে উপজেলা বাল্য বিয়ে নিরোধ কমিটির সমন্বয় সভা নিয়ামতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় হাসপাতালে রোগীদের জন্য নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করতে হবে—-খাদ্যমন্ত্রী মুধইলে ভাংড়ি দোকানের ময়লা আবর্জনা”প্রতিনিয়ত প্রাণঘাতীর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে

কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি অবনতি

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২০ জুন, ২০২৪
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

মোঃ মশিউর রহমান বিপুল
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামে তিস্তা,দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্র, ধরলা নদীসহ ১৬টি নদীর পানি বেড়েই চলছে। এরমধ্যে ধরলা এবং তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে করে তিনটি উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ফলে কুড়িগ্রাম সদর, নাগেশ্বরী,ভূরুঙ্গামারী এবং রাজারহাট উপজেলার প্রায় ১৫হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়,বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টা পর্যন্ত ফুলবাড়ি উপজেলার তালুকশিমুল শেখ হাসিনা ২য় ধরলা সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি ১৬সেন্টিমিটার ও কাউনিয়া রেল সেতু পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ২৫সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে । বন্যার পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে দেখা দিয়েছে নদনদীতে ব্যাপক ভাঙ্গন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেয়া তথ্য মতে নদীর পানি বাড়ার কারণে নদ-নদীর অববাহিকার নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে এসব এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। তলিয়ে গেছে বিভিন্ন সড়ক। ডুবে গেছে সবজি ক্ষেতসহ বিভিন্ন উঠতি ফসল।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান, পানি বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন জায়গায় প্রায় দু কিলোমিটার এলাকায় ৫/৬টি পয়েন্টে ভাংগন চলছে। সেখানে জরুরি ভিত্তিতে কাজ করা হচ্ছে। জেলায়
স্বল্প মেয়াদি এই বন্যা পরিস্থিতি দু একদিনের মধ্যে উন্নতি হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান।
কুড়িগ্রাম কৃষি বিভাগের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, চলতি বন্যায় জেলায় প্রায় ৪৫৩ হেক্টর ফসলি জমি নিমজ্জিত হয়েছে। এরমধ্যে মরিচ,আউশ ধান,পাট,চিনা,পটল খেতসহ অন্যান্য ফসল রয়েছে। কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ বলেন, জেলার উপর দিয়ে ১৬টি নদী প্রবাহমান। এর মধ্যে ধরলা ও তিস্তা নদীর দুটি পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে ফলে রাজারহাট, নাগেশ্বরী ও কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার নীচু এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। দুর্যোগ কবলিত মানুষের সংখ্যা তিন হাজার ৬৯১ জন। উপজেলা পর্যায়ে ১৪৪মে. টন জিআর চাল এবং নগদ ১০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা ত্রাণ হিসাবে উপ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ৪০৪টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে দুর্গত মানুষ আশ্রয় নেয়া শুরু করেছেন। আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে খাদ্য সহায়তা। ৪টি স্পিড বোট ও ২ টি নৌকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে বন্যার্তদের উদ্ধারের জন্য। জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্হিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।
পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে নদী ভাঙ্গন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। বন্যা কয়েক হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে। তাদের সহায়তায় স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর নদী ভাঙ্গন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট